এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা – এসসিওর শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিন ও গাজার সংকট আন্তর্জাতিক আলোচনায় আবারও উঠে এসেছে। সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, এসসিও প্লাস ফরম্যাটে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান গাজা ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিও সামনে এনেছেন।

এই বক্তব্যগুলো শুধু গাজা যুদ্ধের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নও।

তাই বিশকেকের এই আলোচনাকে বুঝতে হলে পাকিস্তান ও তুরস্কের বক্তব্যের পাশাপাশি এসসিওর বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক ভূমিকা এবং নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিও দেখা প্রয়োজন।

শাহবাজ শরীফ কেন ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা বললেন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ তাঁর বক্তব্যে গাজা ও পশ্চিম তীরের মানুষের দীর্ঘস্থায়ী দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণকে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে যেখানে পরিবার বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, মানুষ স্বজন হারাচ্ছে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছে।

এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

তাঁর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু মানবিক সহায়তা বা যুদ্ধবিরতির প্রশ্ন নয়। ফিলিস্তিনিদের নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের অংশ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান।

মুসলিম দেশগুলো একত্রিত হবার আহবান ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের : মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে কি বদলে যাবে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ?

পাকিস্তানের এই অবস্থান দেশটির দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিন নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইসলামাবাদ ঐতিহাসিকভাবে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সমর্থন করে আসছে। ফলে এসসিওর মতো বহুপাক্ষিক একটি মঞ্চে শরীফের বক্তব্যকে সেই ধারাবাহিক কূটনৈতিক অবস্থানের অংশ হিসেবেই দেখা যায়।

শুধু ফিলিস্তিন নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার কথাও বলেছে পাকিস্তান

শাহবাজ শরীফের বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল পানি, সন্ত্রাসবাদ এবং বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের বিষয়। তিনি পানিকে একটি অঞ্চলের জীবনরেখা হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের ত্যাগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ে দেশটিতে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

এর মাধ্যমে পাকিস্তান এসসিও মঞ্চে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নয়, দক্ষিণ এশিয়া ও বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোও সামনে এনেছে। অর্থাৎ ইসলামাবাদের বার্তা ছিল – নিরাপত্তা, অর্থনীতি, পানি, সন্ত্রাসবাদ ও রাজনৈতিক সংঘাতকে আলাদা করে দেখলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা কঠিন।

এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

এরদোয়ানের বক্তব্যে গাজা ও নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান এসসিও প্লাস ফরম্যাটে গাজা ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি ইসরায়েলি হামলায় বিপুল প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে বলেন, এই নীতির মূল্য শুধু ফিলিস্তিনিদের নয়, পুরো অঞ্চলকেই দিতে হচ্ছে।

তবে এরদোয়ানের বক্তব্যের একটি বিশেষ দিক ছিল মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের উল্লেখ। তিনি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আঞ্চলিক মালিকানা ও সম্মিলিত প্রতিরোধের ভিত্তিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখার সম্ভাবনা হিসেবে তুলে ধরেন।

ট্রাম্পের কঠোর হুমকি: ইরানের জর্ডান হামলার জবাবে ‘কঠিন আঘাত’ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

এখানেই বিষয়টি শুধু গাজা যুদ্ধের আলোচনার বাইরে চলে যায়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বাইরের শক্তিগুলোর সামরিক ও কূটনৈতিক প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত। এর বিপরীতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ালে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন একটি মাত্রা তৈরি হতে পারে।

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট আসলে কেন গুরুত্বপূর্ণ

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা সাম্প্রতিক সময়ে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে। এই সহযোগিতার মূল ধারণা হলো – কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে।

তবে এর প্রকৃত সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করে যৌথ কমান্ড কাঠামো, সামরিক সক্ষমতা, গোয়েন্দা সহযোগিতা, অর্থায়ন এবং সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

অতএব, মক্কা জোটকে এখনই ন্যাটোর মতো একটি পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট হিসেবে দেখার চেয়ে উদীয়মান আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামো হিসেবে দেখা বেশি বাস্তবসম্মত। এর ভবিষ্যৎ ভূমিকা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।

সৌদি আরব সরাসরি কী ভূমিকা রাখছে

বিশকেকে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন নিয়ে পাকিস্তান বা তুরস্কের বক্তব্যের মতো বিস্তারিত বক্তব্যের তথ্য সামনে না এলেও সৌদি আরবকে পুরো আলোচনার বাইরে রাখা যাবে না।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে আসছে। পাশাপাশি গাজার পরিস্থিতি নিয়ে দেশটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক উদ্যোগেও যুক্ত রয়েছে।

আর মক্কা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কারণে সৌদি আরবের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে বিশকেকে এরদোয়ান যখন এই সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন, তখন সেটি শুধু একটি দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা উদ্যোগের প্রসঙ্গ থাকে না। সাথে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার বৃহত্তর প্রবণতার ইঙ্গিতও বহন করে।

এসসিও মঞ্চে ফিলিস্তিন ইস্যু কেন তাৎপর্যপূর্ণ

এসসিও মূলত মধ্য এশিয়া, এশিয়া ও ইউরেশিয়াকেন্দ্রিক একটি রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কাঠামো। এর সদস্যদের মধ্যে চীন, রাশিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও ইরানের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র রয়েছে।

এই কারণে এসসিওর মতো মঞ্চে ফিলিস্তিন ইস্যু উঠে আসার অর্থ হলো, গাজার সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যের একটি আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতির বৃহত্তর আলোচনার অংশ হয়ে উঠছে।

মুসলিম ঐক্যের আহ্বান মোজতাবা খামেনেইয়ের: ফিলিস্তিন, উপসাগরীয় নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ঘিরে ইরানের বার্তায় কী ইঙ্গিত?

পাকিস্তান ২০২৬-২৭ মেয়াদে এসসিওর চেয়ারম্যানশিপ গ্রহণ করেছে এবং পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে আগামী সময়ে ইসলামাবাদ এই প্ল্যাটফর্মে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সংকট নিয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার সুযোগ পাবে।

পাকিস্তান ও তুরস্কের অবস্থানের মধ্যে মিল কোথায়

পাকিস্তান ও তুরস্কের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে – দুই দেশই গাজার সংকটকে শুধু মানবিক বিপর্যয় হিসেবে দেখছে না; এর সঙ্গে রাজনৈতিক অধিকার, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রশ্নও যুক্ত করছে।

শাহবাজ শরীফ জোর দিয়েছেন ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের ওপর। এরদোয়ান জোর দিয়েছেন গাজা-লেবাননের পরিস্থিতি, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা এবং মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপর।

অর্থাৎ একজনের বক্তব্যে ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক অধিকার, অন্যজনের বক্তব্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ – দুইটি বিষয় পাশাপাশি উঠে এসেছে।

সামনে কী হতে পারে

বিশকেকের সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যগুলো থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বড় নীতিগত পরিবর্তন হয়েছ – এমনটা বলা যাবে না। তবে এগুলো কয়েকটি দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করে।

এসসিও সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান-তুরস্কের জোরালো অবস্থান, মক্কা জোটের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রথমত, গাজার সংকট আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এখনও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে আছে। দ্বিতীয়ত, পাকিস্তান ও তুরস্ক উভয়েই ফিলিস্তিন ইস্যুকে নিজেদের বৈদেশিক নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সামনে রাখছে। তৃতীয়ত, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ভবিষ্যতে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও নজর রাখার মতো বিষয়।

Muslim Sangbad ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন ✅

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এসব উদ্যোগের বাস্তব প্রভাব নির্ভর করবে বক্তব্যের বাইরে গিয়ে দেশগুলো কতটা সমন্বিত কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পদক্ষেপ নিতে পারে তার ওপর। যদি তারা কাজের জায়গায় গিয়ে নিরবতা পালন করে তাহলে সবকিছু ব্যর্থ হবে।

বিশকেকে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা তুলে ধরে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গাজা ও লেবাননের পরিস্থিতির সমালোচনা করার পাশাপাশি সৌদি আরব-পাকিস্তান-তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টি সামনে এনেছেন।

ফলে সম্মেলনের আলোচনায় ফিলিস্তিন ইস্যু একদিকে যেমন মানবিক ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্ন হিসেবে এসেছে, অন্যদিকে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।

তবে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে এবং তা মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে কতটা প্রভাব ফেলবে – তার উত্তর এখনই নয়, বরং আগামী দিনের পদক্ষেপেই স্পষ্ট হবে

Sources:

Pakistan Prime Minister’s Office

Anadolu Agency

Reuters

Al Jazeera

Share on Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।