ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron: ইরান ইস্যুতে সামরিক হামলা নয়, জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সমাধান

ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron: ইরান ইস্যুতে সামরিক হামলা নয়, জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সমাধান

ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron: ইরান ইস্যুতে সামরিক হামলা নয়, জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সমাধান

প্যারিস: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইরানের শাসনব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করলেও, সামরিক হামলার মাধ্যমে সমাধানের পথকে সরাসরি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র বোমা হামলা বা সামরিক অভিযান চালিয়ে কোনো দেশের সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”

ম্যাক্রোঁর মতে, “ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা নিয়ে তার গভীর আপত্তি রয়েছে এবং তিনি এটিকে একটি খারাপ শাসনব্যবস্থা হিসেবে দেখেন। যেখানে নারীদের কোনো নিরাপত্তা নেয়। জনগণের মৌলিক চাহিদা সরকার পুরণ করতে পারেনা।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ প্রায়ই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, -এ সামরিক হস্তক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ইরাক, আফগানিস্থানে একইভাবে দীর্ঘ ২০ বছরের সামরিক উপস্থিতির পরও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। ইরানের ক্ষেত্রেও সামরিক অভিযান দেশটিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।”

ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron: ইরান ইস্যুতে সামরিক হামলা নয়, জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সমাধান

তিনি বলেন, “এসব উদাহরণ প্রমাণ করে যে সামরিক সমাধান কার্যকর নয়।” ম্যাক্রোঁ মনে করেন, “কোনো দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জনগণের ইচ্ছা।”

সৌদি যুবরাজের কটাক্ষ করবার পর, এবার পাকিস্তান কে লুজার বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

তিনি বলেন, “জনগণের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।” তার মতে, জনগণ যদি তাদের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করতে চায়, তবে সেই প্রক্রিয়া তাদের নিজেদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণ যদি প্রতিক্রিয়া দেখাতে চায় বা আন্দোলনে নামতে চায়, সেটি তাদের অধিকার।”ম্যাক্রোঁর এই বক্তব্যে কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি তার সমর্থন স্পষ্ট হয়েছে।

তিনি মনে করেন, সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা উচিত।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

বাংলাদেশে নিকাব বিতর্ক : নিকাব কি আসলেই ইসলামী পোশাক?

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, ম্যাক্রোঁ সামরিক নীতির পরিবর্তে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন।

তার এই অবস্থান ইউরোপীয় কূটনৈতিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এছাড়া, এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্রান্সের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন You Tube Muslim Sangbad

সবশেষে, ম্যাক্রোঁর বার্তায় স্পষ্ট – কোনো দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার সেই দেশের জনগণের হাতেই থাকা উচিত। বাইরের কোনো শক্তি তাদের দেশের রাজনীতি পরিবর্তন না করায় ভালো।

কিন্তু অনেকর মতে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তন করা আমেরিকার প্রধান লক্ষ্য নয়। তাদের প্রধান লক্ষ্য ইরানের তেল জব্দ করা। ইরানের তেল আমেরিকায় নেওয়া। এভাবে ইরান কে লুটার পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের। 

মুসলিম সংবাদ – মুসলিম উম্মাহর কন্ঠস্বর

Share on Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।