prothom-alo-office-attack-youth-arrested
বাংলাদেশ | News Desk : প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভাঙচুরের পক্ষে হয়ে ফেসবুকে পোস্ট করায় যুবক গ্রেপ্তার। চাওয়া হলো তিন দিনের রিমান্ড। বাংলাদেশে প্রথম আলো যে, কি পরিমাণে শক্তিশালী একটি সংগঠন তা বুঝতে পারছে সবাই হাড়ে হাড়ে। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পর্যন্ত তাদের কাছে নিরিহ।
সোসিয়াল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রেপ্তারকৃত এক যুবক মিডিয়ার সাথে কথা বলতে গেলে, পুলিশ মুখে চড় মেরে কথা বলতে দিলো বাধা দেই। অবশেষে যখন মিডিয়া হার না মেনে, আবার কথা বলতে যাই, তখন বেরিয়ে এলো, অবাক করা বিস্ফোরণ তথ্য।
গ্রেপ্তারকৃত যুবক কে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি এমন করেছেন যে, আপনাকে মিডিয়াতে কথা পর্যন্ত বলতে দিচ্ছে না। যেখানে আওয়ামী লীগের বড় বড় গ্রেপ্তারকৃত নেতা পর্যন্ত মিডিয়ার সাথে কথা বলতে পারে। তাহলে আপনার অপরাধ কি?

তখন ওই যুবক বলেন, কারণ, আমি প্রথম আলো ভাঙচুরের সাথে জড়িত অভিযোগে অভিযুক্ত। তিনি আরো বলেন, কিন্তু আমি প্রথম আলো ভাঙচুরের সাথে জড়িত নয়। তারা আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে রিমান্ড চাইছে। আমি শুধু ফেসবুকে প্রথম আলোর বিপক্ষে পোস্ট দিয়েছিলাম। এজন্য আমাকে, প্রথম আলো ভাঙচুরের অভিযোগে অভিযুক্ত করে রিমান্ডে নেবে।
যেহেতু এটি একটা মিথ্যা মামলা এজন্য তারা আমার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাইনি। তাই কোট বলেছেন, এর বিপক্ষে যথেষ্ট কোনো প্রমাণ নেই। যা দিয়ে একে রিমান্ডে নেওয়া যায়। এজন্য বিচারক তাদের, আরো কয়েকদিন সময় দিয়েছে, প্রমাণ জোগাড় করার জন্য।
সাথে তিনি আরো বলেন, “এর থেকে বড় মামলায় অভিযুক্ত থাকলেও এত নির্যাতন করেনা। যেতটা প্রথম আলো ভাঙচুরের অভিযোগে করা হচ্ছে। আমাদের কে মিডিয়ার সামনে কথা বলতে দেয় না। যদি কোনো ভাবে বলি, তাহলে আমাদের ওপর নির্যাতন করা হয়।”

আর বলে, “এখন তো মিডিয়া নেই, এখন তোদের কি দেখবে। বলে অনেক নির্যাতন করে। কোনো প্রকার প্রামাণ ছাড়া, শুধুমাত্র ফেসবুকে পোস্ট করার দায়ে কোনো ব্যক্তিকে এভাবে নির্যাতন করা বাংলাদেশের কোন আইনে আছে? তারপরও তারা করছে। “
অনেকে বলছে, “তাহলে বোঝেন বাংলাদেশে কি পরিমাণে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের রাজত্ব চলে। এমনকি তাদের রাণী পর্যন্ত দেশে নেই। তারপরও তাদের এত ক্ষমতা এখনো পর্যন্ত কায়েম রয়েছে। তাদের ক্ষমতার কাছে বর্তমান সরকার নিরিহ।
এজন্য বাংলাদেশের প্রতিবাদি কন্ঠস্বর গুলোকে সচেতন থাকতে বলছে বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে কারো উসকানি শুনে এমন কাজ করা উচিত নয়। কারণ তারা দেশের বাইরে আছে। তাদের কিছুই হবেনা কিন্তু সাধারণ জনগণের ওপর নির্যাতন নেমে আসবে।

কারণ বাংলাদেশ এখনো স্বাধীন হতে পারেনি। এখনো পুলিশ প্রশাসন, অফিস আদালত সবজায়গায় বিপ্লবী বিরোধী শক্তি কাজ করছে। এদের বিপক্ষে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার কিছুই করতে পারছে না বা করতে চাইছে না। তাভ সকল কে সাবধানে পদক্ষেপ নিতে আহবান জানাচ্ছে।
কিন্তু কে শোনে কার কথা। বিপ্লবী মনমানসিকতার মানুষেরা তো এমনই হয়। তারা কখনো অন্যায়ের বিপক্ষে মাথা নত করে না। নিজের চিন্তা না করে দেশের কথা চিন্তা করে। তারা সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে। আসলেই তারাই বীর
কিন্তু একটা কঠোর বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে এমন ব্যক্তিরা ভালো থাকে না। যারা দালালি করে, দুর্নীতি করে, চাটাচাটি করে, দেশকে বিক্রি করে, তারাও মুলত বাংলাদেশে সব থেকে বেশি শুখে থাকে। এমনই মন্তব্য করেছেন সাধারণ জনগণ। “
Source : Channel one & Special Correspondent


